Pages

Showing posts with label ব্র্যান্ডিং. Show all posts
Showing posts with label ব্র্যান্ডিং. Show all posts

Thursday, April 4, 2019

লেখক আনিসুল হক থেকে হবু-উদ্যোক্তারা যা শিখতে পারেন

লেখক আনিসুল হক, উপন্যাস লেখার জন্য আলোচিত হলেও টেলিভিশনের জন্য নাটক আর রম্য লেখার জন্য বেশ পাঠক প্রিয়। অনলাইন-অফলাইন সবক্ষেত্রেই তার লেখার পাশাপাশি দারুণ সব কাজের কথা ফেসবুক আর পত্রিকা থেকে জানা যায়। যে তরুণরা কোন উদ্যোগ নিয়ে দৌড়াদুড়ি করছেন, কিংবা কোন পণ্য-সেবা নিয়ে সামনে কিছু করার চেষ্টা করছেন-করবেন তারা আনিসুল হকের কাছ থেকে দারুণ কিছু বিষয় শিখতে পারেন। লেখক আনিসুল হক থেকে তরুন উদ্যোক্তারা দারুণ সব বিষয় জানতে পারেন। তা নিয়েই এই পোস্ট।

কি-এর বদলে কেন বোঝার চেষ্টা করুন।

আনিসুল হকের উপন্যাস বা লেখার ধরন প্রচলিত প্রেম কিংবা রোমান্টিক সাহিত্যের সঙ্গে মেলানো ঠিক হবে না। কোন কোন বই পাঠকের দায়ে প্রেম-ভালোবাসা কেন্দ্রিক হলেও আনিসুল হকের মা উপন্যাসের কারণে লেখার একটা ভিন্ন স্টাইল লক্ষ্য করা যায়। কোন বাস্তব ঘটনার মধ্যে আপনাকে উপন্যাসের আঙ্গিকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা আনিসুল হকের আছে। কি লিখছেন, তার চেয়ে কেন লিখছেন সেটাই কিন্তু একটু গভীরে বোঝা যায়। তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে কেউ যখন কোন কিছু নিয়ে কাজ করেন, তিনি আসলে খুব কম ক্ষেত্রেই কেন কাজ করছেন তা ভাবেন না, কি নিয়েই থাকেন। বিষয়টা আরও স্পষ্ট করে বলা যায়, স্টিভ জবসের বিখ্যাত একটা লাইন ছিল, ‘মেক অ্যা ডেন্ট ইন দ্য ইউনিভার্স’, মানে মহাবিশ্বে রঙ চড়াও, আসলেই কি তাই? স্টিভ জবস কি নিয়ে কাজ করেছেন, কম্পিউটার ও প্রযুক্তির জিনিষপত্র নিয়ে। স্টিভের বায়োগ্রাফি পড়ে যা জানবেন তা হলো, কোন একটা সুপ্রিম লক্ষ্য নিয়ে জীবনদর্শন তৈরি করে জীবনে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। এই সুপ্রিম লক্ষ্যই হচ্ছে “কেন”। আপনি কেন নতুন কোন কাজ করবেন, কিংবা আপনার পন্য বা সেবা মানুষ কেন কিনবে তা আগে বুঝুন। স্টারবাকস কিন্তু কফি বেচে না, এক্সপেরিয়েন্স।
আমি সাইমন সিনেকের একটি বই পড়ছি এখন স্টার্ট উইথ হোয়াই। আমরা যাই করি না কেন তার মধ্যে হোয়াই না থাকলে তা বেশি দিন চালানো কঠিন কিন্তু। স্টিভ জবস, বিল গেটস-সবার জীবনে একটা হোয়াই ছিল, সেই হোয়াই দিয়েই তারা অ্যাপল-মাইক্রোসফট তৈরি করেছেন। তারা সরে যাওয়ার পরে সেই হোয়াই কিন্তু কোম্পানি থেকে সরে যায়, এতেই কিন্তু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাপল-মাইক্রোসফটের মানবীয় দিকটা দুর্বল হয়ে যায়। হোয়াই দিয়েই মানুষ সামনে এগিয়ে যায়, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানও। এই হোয়াই আপনার সাফল্যের পথ ঠিক করে দেয়, আর টাকা কিংবা গাড়ি হচ্ছে সেই সাফল্যের ইয়ার্ডস্টিক।

সামাজিকতাকে নিয়ন্ত্রণ করুন।

স্যোশাল মিডিয়াতে তরুণ উদ্যোক্তাদের শুরুর দিকে বেশ ফ্যান তৈরির প্রবনতা থাকে। লেখক আনিসুল হক ফেসবুকে যে কম জনপ্রিয় নন তা তার ফেসবুক পেইজ অনুসরণ করলেই টের পাবেন। আনিসুল হক কিন্তু যেমন ফেসবুকে সামাজিকতা ধরে রেখেছেন, তেমনি কিন্তু প্রথম আলোতে রম্য লেখা কিংবা বই মেলার জন্য বই লিখে যাচ্ছেন। নিজেকে ফেসবুকের প্রবল জনপ্রিয়তায় অনেক উদ্যোগ হারিয়ে যাওয়ার নমুনা আপনার আশপাশেই পাবেন। নিজের সামাজিকতাকে নিয়ন্ত্রণ করা শিখুন।

ভবিষ্যৎ কাস্টমার কারা তাদের কথা ভাবুন।

ব্যবসা শুরুর পরে অদৃষ্টের দিকে যারা তাকিয়ে থাকেন তারা কপি-মি টাইপের ব্যবসাই করে যান। প্রজন্মের পরে প্রজন্মে সেই ব্যবসার আদর্শকে ছড়াতে পারেন না। আপনি যদি শুধু বর্তমানের কাস্টমার নিয়ে ভাবেন, তাহলে অনেকক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতায় টিকবেন না। আনিসুল হক লেখক, উনি বই লিখেন মোটামুটি বিশ বছরের বেশি তরুণ-তরুণীদের জন্য। গেল কয়েক বছর ধরে আনিসুল হক কিন্তু কিশোর ম্যাগজিন কিশোর আলোর সম্পাদক। আজকে যে কিশোরের বয়স ১৩ কিংবা ১৬, সে কিন্তু আগামী কয়েক বছর পরেই কিশোর আলোর রেফারেন্সে আনিসুল হকের বই পড়বেন।


রিয়েল নেটওয়ার্কিং শিখুন

উদ্যোক্তা হতে চাই যারা আমরা তারা নানান সময় নানান ইভেন্টে অংশ নিতে ছুটে যাই। ইভেন্ট কি উচ্চশিক্ষা, কি বিগ ডাটা-সবক্ষেত্রেই ছুটে যাই আমরা। এটা কিন্তু সত্যিকারের নেটওয়ার্ক পাওয়ারে সহযোগিতা করে না। লেখক আনিসুল হক কিন্তু গণিত অলিম্পিয়াড বা ভাষা প্রতিযোগ ঘরণার নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানগুলোকে নিজের নেটওয়ার্কিং টুলস হিসেবে ব্যবহার করেন। একটা অনুষ্ঠানে ১০০০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে কিছু বলে বোঝানোর চেয়ে ১০০ কিশোর-কিশোরীর সামনে মিনিট দুয়েক কিছু বলে আসার প্রভাব থাকে অনেক দিনের।

জনপ্রিয়তা নিয়ন্ত্রণ করা শিখুন।

সাংবাদিকতা কিংবা লেখালেখির জন্য জনপ্রিয়তার ইতিবাচক-নেতিবাচক মাপকাঠিতে আনিসুল হক অনেক সামনে। ফেসবুকে নানান ট্রল কিংবা লেখা নিয়ে সমালোচনা তো আছেই তার নামে। কোন কিছুতেই কিন্তু থেমে নেই আনিসুল হক। যখন আমরা কোন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করি, টেলিভিশন-পত্র-পত্রিকায় নানান ফিচার প্রকাশিত হয়। সেই ফিচারের শেয়ারের বন্যায় বেশির ভাগ উদ্ভাবনী উদ্যোগই হারিয়ে যায়। জনপ্রিয়তার টুলসগুলোকে যারা সঠিকভাবে ব্যবহার করেন তারাই টেকেন কিন্তু।

নিজেকে একটু একটু করে সামনে নিতে হয়।

দারুণ কিছু একটা করেই বেশির ভাগ “ভাড়” উদ্যোক্তারা সেই মাপের মিডিয়া কাভারেজ খোঁজা শুরু করেন আমাদের দেশে। আমাদের যারা কিছু করার চেষ্টা করেন তারা ব্র্যান্ড স্টোরি ডেভলপ না করে সামনে এগিয়ে যেতে চান। আনিসুল হক বুয়েটে আশির দশকে পড়াশোনা করেন, এরপরে সাংবাদিকতায় আসেন। এরই মধ্যে লেখালেখি চলছে তার। এক দিনেই আজকের আনিসুল হক হতে পারেন নি তিনি। একটু একটু করে সামনে এগোতে হয়।

-- Stay cool. Embrace weird.

Saturday, January 12, 2019

ব্র্যান্ড বিল্ডিং – Slowly but Surely

আপনার বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে আড্ডাবাজ কে ছিল, একটু মনে করে দেখুন তো? আর সবচেয়ে দুরন্ত? সব থেকে মজার? আর সবচেয়ে শান্তশিষ্টই বা কে ছিল? মনে করতে পারছেন? হুমম, পারারই কথা। আসলে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব কিংবা পরিচয় একজন সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে এবং বুঝতে অনেক সাহায্য করে আর তাকে তখন সহজেই ‘লোকটা খুবই মজার’ কিংবা ‘লোকটা একটু পাগল টাইপ’ – এরকম এক কথায় বা এক বাক্যে অন্যের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়া যায়। ঠিক তেমনি, ব্র্যান্ডের ব্যাপারটাও কিন্তু অনেকটা একই। টয়োটা গাড়ী শুনলেই আমাদের মাথায় কাজ করে এটার মেইন্টেনেনস খরচ অনেক কম, লেক্সাস-এর নাম শুনলেই মনে হয় ব্যয়বহুল গাড়ী, বিবিসি-র কথা শুনলে মনে হয় খবরটা নির্ভরযোগ্য। কোকাকোলা, টয়োটা, অ্যাপল এবং আরো যত নামীদামী ব্র্যান্ড- এরা কি একদিনে এই সাফল্য অর্জন করেছে? নিশ্চয়ই নয়। ব্র্যান্ড বিল্ডিং হুটহাট করে হয় না, ব্র্যান্ডের পরিচিতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে কাস্টমার বন্ডিং-এর জায়গাটা তৈরী হয়।
ধরুন, আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন, কোনো এক সুন্দরীর প্রেমে পড়ে গেলেন। (ইচ্ছে করে ‘সুন্দরী’ কথা বললাম, কেননা বেশিরভাগ ছেলেই সুন্দরী মেয়েদেরই প্রেমে পড়ে। আপনার প্রডাক্টের ব্যাপারটাও তাই, দেখতে আকর্ষনীয় হলে ভেতরে কি আছে না জেনেই অনেকে পছন্দ করে ফেলবে।) এখন প্রেমে যেহেতু পড়েছেন, আপনি কি করবেন? আপনি তখন স্বাভাবিকভাবেই তার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করবেন, আপনি তাকে ইমপ্রেস করার চেষ্টা করবেন। আপনি হয়তো আগের চাইতে পরিপাটি হয়ে, চুলে জেল দিয়ে, মান্জা মেরে সেই মেয়ের আশেপাশে ঘুরঘুর করবেন, তার নজরে পড়ার চেষ্টা করবেন। যেকোনো ব্র্যান্ড-এর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা তাই – অ্যাডের মাধ্যমে টার্গেট কাস্টমারদের নজরে পড়ার চেষ্টা করাটাই হলো প্রথম ধাপ।
প্রথম ধাপ যদি হয় ‘নিজের উপস্থিতি জানান দেয়া’, তবে দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে ‘প্রাসঙ্গিকতা’ অর্থাৎ এটা কি আমার আদৌ দরকার কি না, সেটা বিচার করা। আপনি তো পরিপাটি হয়ে সেই মেয়ের আশেপাশে ঘুরঘুর করলেন, কিন্তু সেই মেয়ের যদি অলরেডি বয়ফ্রেন্ড থেকে থাকে, তাহলে তো আপনার চান্স শুন্যের কোঠায়! অর্থাৎ, সে অলরেডি অন্য একটা ব্র্যান্ডের প্রতি loyal, কাজেই সেই ব্র্যান্ডের কোনো খুঁত না পেলে (সেই বয়ফ্রেন্ডের সাথে বড় কোনো ঝামেলা না হলে) এবং আপনার ব্র্যান্ডের বাড়তি যোগ্যতা (অর্থাৎ, আপনার বাড়তি কোনো আকর্ষনীয় গুন না থাকলে) ‘প্রাসঙ্গিকতা’ শুরুতেই মাঠে মারা যাবে। আর যদি তার বয়ফ্রেন্ড না থেকে থাকে, তাহলেও যে ব্যাপারটা খুব সহজ তা তো ভালোই বুঝতে পারছেন, কম্পিটিটরের তো আর অভাব নেই, আপনার মত অনেকেই যার যা আছে তা নিয়ে চেষ্টা করে যাবে সেই মেয়েকে বাগানোর জন্য। আপনার পকেট যদি ছোট হয় (অর্থাৎ, মার্কেটিং-এর বাজেট যদি কম থাকে), তাহলে তো আপনি শুরুতেই পিছিয়ে গেলেন।
প্রাসঙ্গিকতা-র পরের ধাপ হচ্ছে পারফরম্যান্স। ধরা যাক, আপনি দ্বিতীয় ধাপে সফল হয়েছেন অর্থাৎ মেয়েটি আপনার সাথে কথা বলা শুরু করেছে – পরিচয় থেকে ব্যাপারটা বন্ধুত্বে এসে ঠেকেছে। এখন বন্ধুত্ব থেকে ব্যাপারটাকে প্রনয় পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কিন্তু আপনার। আপনি একাই কিন্তু তার বন্ধু নন, আরো অন্যান্য বন্ধুরাও কিন্তু বিভিন্নভাবে তার মন জয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আপনার স্বভাব-চরিত্র, আপনার গুনাবলী, আপনার আস্থা অর্জনের ক্ষমতা – এসবই বলে দিবে আপনি তার মন জয় করতে পারবেন কি না, সম্পর্কটা দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না। আপনার প্রডাক্ট কিংবা সার্ভিসের পারফরম্যান্সের ওপরই নির্ভর করবে কাস্টমার সেটা বারবার কিনবে কি না। অর্থাৎ, বাড়তি কিছু একটা থাকতে হবে যা আপনাকে (কিংবা আপনার প্রডাক্টকে) অন্যদের (কিংবা অন্যগুলো) থেকে আলাদা করে চেনাতে পারে।
একটা ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকা দরকার: over promise. অনেক সময়ই অনেক বিজ্ঞাপন এতই অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয় যে পরে সেটাকে বাটপারি বা শঠতা বলে মনে হয়। প্রেমের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। নিজেকে জাহির করার জন্যে অনেক সময় নিজের সম্পর্কে কিংবা পরিবার সম্পর্কে অনেক বাড়তি কথা বলে পরে শেষমেষ ধরা খেতে হয়। আসলে যে যেটা, সেটাই ঠিকভাবে উপস্থাপন করার জরুরি। কোনো কিছু লুকালে একদিন না একদিন ধরা পড়তেই হয়, আর তখন আম আর ছালা দুটোই হাতছাড়া হয়।
সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে বন্ডিং ক্রিয়েট করা, অর্থাৎ কাস্টমার যেন মনে করে ‘nothing else can beat it’. বিয়েটা যেমন প্রণয়ের পরের ধাপ, তেমনি একজন কাস্টমারকে পাকাপাকিভাবে আপনার ব্র্যান্ডের প্রতি অনুগত করে তোলাটাও ব্র্যান্ড বিল্ডিং-এর সর্বশেষ ধাপ। তবে বিয়ে মানেই কিন্তু কাজ শেষ নয়। বিয়ের পরের সম্পর্কটা ঠিকঠাক বজায় রাখা যেমন কঠিন কাজ, তেমনি রেগুলার কাস্টমারের দিকে খেয়াল রাখাও খুবই জরুরি। লয়াল কাস্টমার যদি আশাহত হয়, তাহলে আপনার ব্র্যান্ডের রেপুটেশনেরও বারোটা বেজে যেতে পারে।
কাজেই, ব্র্যান্ড বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হচ্ছে: ধাপে ধাপে এগোন – slowly but surely.

Thursday, January 3, 2019

Learn how to build a brand from the Japanese

MUJI, a Japanese brand, is a big deal. They sell all kinds of stuff from furnitures to kitchenware and travel goods. They have 385 stores in Japan, and 255 more overseas. They made more than $200 million in revenue last year.
They have quite a weird name for such a big company. MUJI, an abbreviation for “Mujirushi Ryōhin” translates to “No Brand, Quality Goods”.



One of the biggest brand in Japan is literally branding themselves as “NO BRAND”. How does this work?
Their product packaging is interesting too:
There are only 3 colors on their labels — black, red and brown. Simple lines and Helvetica text. I think this is what their design assets might look like:
Amazingly plain design for such a huge global brand. Why do they even need designers?
Let’s have a look at another Japanese brand, Uniqlo. They are in the clothing business and its owner is currently the richest man in Japan. They made $14 billion last year.


In May 1984, they opened a unisex casual wear store in Fukuro-machi, Naka-ku, Hiroshima under the name “Unique Clothing Warehouse”. Initially, from the contraction of “unique clothing”, the brand was going to register under “uni-clo”. However, in 1988, during administration work between Hong Kong in relation to the brand, staff in charge of registration misread the “C” as “Q”, and that is how the brand name was born. From then, Tadashi Yanai changed the store name to “uniqlo” across Japan.
How funny. The biggest brand in Japan right now was born out of a spelling mistake.
So, what can we learn from these Japanese mega-brands?
You build a brand not by getting the name right, but by doing the right things.
When you deliver quality and value to your customers, you earn their trust. You build a reputation, a brand.
I really love this quote by Jeff Bezos, the founder of Amazon:


When I talk about kitchenware bought from MUJI, or clothes from UNIQLO, I don’t talk about how good their brand campaigns are.

I talk about quality. About how much I love the finishing on my handcrafted wooden MUJI bowls.

I talk about innovation. About how much I love the fact that I can use this one rod from MUJI with 5 other cleaning tools.
I talk about design. About how I can relate to the hard work of the designers. How they meticulously make thoughtful decisions for me.
Branding was never about the name, logo, colors, or the font. It was always about qualityinnovation and designdelivered consistently to the customer. This is what we should learn from the Japanese.


Monday, April 2, 2018

Key elements of a brand by Nike

Jeff Bezos, the founder and CEO of Amazon.com said it best…”Your brand is what people say about you when you leave the room.”
That’s why before you even think about creative, logos, or marketing – you must have clarity on what your brand truly includes.


Here are some key elements of a brand by Nike which I endorse most:

1. Put Customer Interests First

Customers like great products and they like serious benefits. Customer is God.

2. Believe In the Product You Are Selling

As marketers, shouldn’t we believe in the product and the ideas we are selling?

3. Research brands within your industry niche.

You should never imitate exactly what the big brands are doing in your industry.

4. Form your brand’s business voice.

Your voice is dependent on your company mission, audience, and industry.




Sunday, April 1, 2018

ব্র্যান্ড কি এবং ব্র্যান্ডের আসলে কেন দরকার?

ব্র্যান্ড ম্যানেজম্যান্টের উপর একটা সিরিজ বই পড়তেছি; সেখানে ফর্ড, বিএমডাব্লিউ, ইউনিলিভার, প্রোক্টর এন্ড গ্যাম্বল দিয়ে সব উদাহরণ দেয়া; প্রথম সিরিজের অর্ধেক পড়ে যা বুঝলাম, আমাদের এই ফেজ ধরতে অনেক দেরি; এমনকি আমারা এখনও শুরুই করতে পারি নাই।
চিন্তা করলাম কারনটা কি হতে পারে?
আমাদের দেশের ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে এত অনিহার কারন, একটা শক্তিশালী ব্র্যান্ড ডেফলপটড করার কোন পুথিগত স্ট্রেটেজী নাই, কিংবা এর রিটার্ন ক্যাল্কুলেইট করারও কোন নিউমেরিকাল সুত্র নাই; তাই অনেকে এটা নেহাৎ খরচ মনে করে; এই কারনে ব্র্যান্ডের প্যাঁচ-গোচ অধিকাংশের মাথার উপর দিয়ে যায়, ইনফ্যাক্ট আমারও যাচ্ছে। তবুও এই একটা শব্দকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর বড় বড় ব্যাবসায়ী বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার হাকায় নিচ্ছে; তাই ভাবলাম আমরাও একটু নেই (বিলিয়ন না হোক, লাখই সাহী)
-----
- ব্র্যান্ড আসলে কি?
-এটা একটা এনটিটি, অনেকে নাম বলে, অনেকে লগো বলে আবার অনেক প্রোডাক্ট বা সার্ভিস হিসাবে রেফার করে। আদোতে ব্র্যান্ড হচ্ছে এমন একটা এন্টিটি যার শুনলে বা দেখলে হটাৎ একটা সাইকলজিকাল ক্লিক হয় ব্রেইনে, মেয়েদের ক্ষেত্রে "ম্যাক" নামটা; ওমাইগড ম্যাক 
ছেলেদের ক্ষেত্রে অ্যাডিডাস বা নাইকি (অবশ্যই ফ্যাশন সচেতন ছেলেদের্); ইয়ো ম্যান, আই অ্যাম আ অ্যাডিডাস গাই 
যে কোন এন্টিটিকেই একটা ব্র্যান্ড করা যায়, যদি তার পজিশনিংটা ঠিক ঠাক ভাবে করা যায় টার্গেট কাস্টমারের কাছে।
---
-ব্র্যান্ডের আসলে কেন দরকার?
-ব্র্যান্ড কখনই রাতারাতি আপনার এন্টিটিকে একটা বিশাল পোর্টফোলিও বানাবে না, কিনবা সেলসও বাড়াবে না, তাহলে কি করবে?
সে, মিরপুরের একটা রেস্টুরেন্ট যাদের পাস্তা শুধু মিরপুর না সারা ঢাকা বিখ্যাত, এবং তারা শুধু পাস্তাই সার্ভ করে; আপনি এবং আপনার ফ্রেন্ড ঐ পাস্তার নিয়মিত কাস্টমার; দোকানটার বয়স প্রায় ২ বছর, প্রথম প্রথম হয়তো বা মাসে ৫০-৬০ জন যেত, এখন প্রায় দিনেই ১৫০-২০০ মানুষ যায়; আপনি এক বছর ধরে ঐখানে পাস্তা খেতে যাচ্ছেন এবং আপনাদের মত অনেকেই যাচ্ছে; হটাৎ করে দোকানটা পিৎসা বানাতে শুরু করলো; যেহেতু দোকানটা সুপরিচিত ভালো পাস্তা বানানোর জন্য, আপনাদের মত যারা রেগুলার কাস্টমার, তারা ভাবলো, "ঠিক আছে ট্রাই করা দরকার, খেয়ে দেখি কেমন, পাস্তাতো ওরা ভালোই বনায়, পিৎসাও নিশ্চয় খারাপ বানাবে না"; যেখানে পাস্তা খেতে প্রথম দিকে ৫০-৬০ জন মানুষ জেত অথচ তাদের পিৎসা খেতেই এখন ১৫০-২০০ মানুষ যায়; ঠিক এভাবেই এক্সপেনশনটা হতে থাকে যা এক সময় জায়েন্টে পরিবর্তন হয় এবং আনবিটেবল হয়ে দাঁড়ায়।
এন্ড দিজ ইদ ওয়াট ব্র্যান্ড ডাজ।
-----
যদিও ব্যাবসায়িক দিক থেকে এক্সাম্পেল দেয়া, কিন্তু এই ব্যাপারটা ঠিক ততই প্রযোজ্য এবং সত্য একটা ওয়েল ফেয়ার ওরগানাইজেশনের জন্য, একটা ফেসবুক পেইজের জন্য, একজন পার্টিকুলার মানুষের জন্য এবং একটা দেশের জন্য।
-রিয়েল লাইফ উদাহরন দেখতে চান, তাহলে, এখনি জেগে উঠুন; "জাগো বাঙ্গালী জাগো" 
লেখিকা - Mehjabin Badhon

ব্র্যান্ডিং আর মার্কেটিং কিন্তু এক জিনিস নয়

ব্র্যান্ডিং আর মার্কেটিং কিন্তু এক জিনিস নয়। হতে পারে আপনার রেস্টুরেন্টটা মার্কেট কাপাচ্ছে কিন্তু সুন্দর কোন ওয়েবসাইট, লোগো বা বিজনেস পেইজ নেই। যদি ওয়েবসাইট থেকেও থাকে হয় সেটার কোন আপডেট নেই নাহলে ডোমেইন এক্সপায়ারড। আপনার মনে হতেই পারে আমার ব্যবসা ভাল চলছে কি দরকার আমার এসবের পেছনে খরচ করার। আর যদি খরচ করিও আমি যত কম পারি তত কমে করবো। কোনভাবে হলেই তো হলো।

ব্র্যান্ডিং একটা শিল্প। আপনি যখন বিভিন্ন ইভেন্টে নিজের উদ্যোগের নামটা অন্তর্ভুক্ত করছেন মানুষের মাথায় একবার হলেও তার প্রভাব পড়ছে। আপনি যখন সামাজিক কাজগুলোতে অংশ নিচ্ছেন, পরিসংখ্যান দেখিয়ে ইনফোগ্রাফিক তৈরি করছেন, বা আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত ব্লগ শেয়ার করছেন সেটাই পার্থক্য করে দিচ্ছে।

আপনি যদি মার্কেটিং এ গুরুত্ব দেন, আপনার গ্রাহক চাহিদা অবশ্যই বাড়বে। তবে আপনি শুধু মার্কেটিং করে সাময়িক লাভ পাবেন কিন্তু যদি মানসম্পন্ন ব্র্যান্ডিং করেন তাহলে পাবেন স্থায়ী গ্রহণযোগ্যতা এবং বিশ্বাস। আমরা প্রচুর ব্যবসা শুরু হতে দেখি, কিন্তু শেষ অবধি টিকে থাকার যুদ্ধটা দেখি না।প্রায় ৯০% টেক স্টার্টআপগুলো ভেঙে পড়ে যথাযথ যত্নের অভাবে। দুটোরই প্রয়োজন আছে। ব্যবসা শুধু শুরু করলে হবে না।পাশাপাশি সঞ্চয় করে যেতে হবে যেন ব্র্যান্ডিং আর মার্কেটিং সমান তালে চালিয়ে যাওয়া যায়।


ব্র্যান্ডিং এ মানুষের আগ্রহ কম থাকার মূল কারণ হল এটা সময়সাপেক্ষ এবং বেশিরভাগ সময়ে এখান থেকে কোন অর্থলাভ সম্ভব না। কিন্তু এর ফল অবশ্যই সুদূরপ্রসারী। এই যেমন আপনার একটা শক্তিশালী ফেসবুক পোস্ট বা লাইভ ভিডিও কিংবা একটা ফ্রি সেমিনার হয়তো আপনাকে কোন অর্থ দেবে না, কিন্তু আপনি অবশ্যই অন্যদের চেয়ে 

লেখিকা : Nishargo Nigar

Disclaimer

Disclaimer: All the information on this website is published in good faith and for general information purpose only. Some content i...